Ji88 কী এবং কীভাবে শুরু হয়েছিল?
Ji88-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সহজ উপলব্ধি থেকে – বাংলাদেশে ক্রিকেটপ্রেমীরা খেলা দেখতে ভালোবাসেন, বাজি ধরতে আগ্রহী, কিন্তু তাদের জন্য পরিচিত ভাষায় ও পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে একটা ভালো প্ল্যাটফর্ম ছিল না। বিদেশি সাইটে বাংলায় কোনো সাপোর্ট নেই, বিকাশে ডিপোজিটের সুবিধা নেই, আর ভরসা রাখার উপায়ও কম। এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই ২০১৯ সালে Ji88 আসে।
শুরুর দিকে Ji88-এ শুধু ক্রিকেট বেটিং ছিল। কিন্তু ব্যবহারকারীদের চাহিদা বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে ফুটবল, টেনিস, লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, আনদার বাহার – সব যোগ হতে থাকে। আজ Ji88 বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন বেটিং ও গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি – পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য নিয়ে।
আমাদের লক্ষ্য কী?
Ji88-এর লক্ষ্য কখনো শুধু "বেটিং সাইট" হওয়া ছিল না। আমরা চেয়েছি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য একটা নিরাপদ, সহজ ও আনন্দদায়ক অনলাইন বিনোদন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে। যেখানে ঢাকার রিকশাচালক থেকে সিলেটের চা-বাগান কর্মী – সবাই মোবাইলে ঢুকে নিজের পছন্দের ক্রিকেট ম্যাচে বাজি ধরতে পারবেন, বাংলায় সাহায্য পাবেন এবং জয়ের টাকা সরাসরি বিকাশে নিতে পারবেন।
এই লক্ষ্য অর্জনে Ji88 বরাবর তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে – বিশ্বাসযোগ্যতা, সহজলভ্যতা এবং দায়িত্বশীলতা। প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে আমাদের সদস্যরা।
বাংলাদেশকে কেন আলাদাভাবে দেখি আমরা?
অনেক আন্তর্জাতিক বেটিং প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশকে শুধু একটা বাজার হিসেবে দেখে। Ji88 এটা করে না। আমরা জানি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা আলাদা, রংপুর আর কক্সবাজারের সংযোগ পরিস্থিতি আলাদা। তাই Ji88-এর প্ল্যাটফর্ম শুধু বড় শহরের জন্য নয় – ধীর ইন্টারনেটেও দ্রুত লোড হয়, ছোট স্ক্রিনেও সহজে ব্যবহারযোগ্য।
Ji88-এ বাংলা ভাষার পাশাপাশি বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা আছে। রমজান মাসে, ঈদে, পহেলা বৈশাখে আমরা বিশেষ অফার দিই কারণ এই উৎসবগুলো আমাদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাফল্যে আমরাও উৎসাহী – শুধু ব্যবসায়িক কারণে নয়, সত্যিকারের অনুভূতি থেকে।